প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

গত ৩ জুলাই নিউজ কক্সবাজার ডটকমে প্রকাশিত, পরবর্তীতে টেকনাফ টুডে ডটকম ও টেকনাফ নিউজ ৭১ এ প্রকাশিত
“অনুসন্ধানী প্রতিবেদন র্পব-১: টেকনাফ সাবরাং কাটাবনিয়া ফিশিং ঘাট নিয়ন্ত্রক ইয়াবা কারবারি ফয়েজ উল্লাহ সিন্ডিকেট অধরা”
শীর্ষক সংবাদটি আমার ও আমার পরিবারের সকল সদস্যের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পুর্ণ ভাবে উদ্দেশ্য প্রনোদিত, বানোয়াট ও কল্পকাহিনী দিয়ে সাজানো। কাজেই অামি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি প্রকৃত সত্য তুলে ধরছি।
নিউজ কক্সবাজার ডটকম এর চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ রুবেল ও উপদেষ্টা সম্পাদক এড. জিয়াউর রহমান সম্পর্কে আপন চাচা-ভাতিজা এবং তাদের বাড়ি সাবরাং কাটাবুনিয়া গ্রামে অবস্থিত। আমার নিজ বাড়ি ওই একই গ্রামে অবস্থিত হওয়ায় তাদের সাথে আমার পূর্ব শত্রুতা রয়েছে এবং তারই জের ধরে সেই পোর্টালের সম্পাদক ও প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবেদক হচ্ছেন সাংবাদিক শাহজাহান চৌধুরী শাহীনকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে উক্ত বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করিয়েছেন। যা সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতা বিরুধীও বটে।
যেভাবে তাদের সাথে আমার শত্রুতা তৈরী হলো তা হচ্ছে, ২০১৪ সালে তাদের সাথে গ্রামের নিরীহ এক পরিবারের ঘর-ভিটা নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে আমি এবং গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় অসহায় পরিবারটি নিজ ঘর-ভিটাতে বহাল তবিয়তে রয়ে যায়। সেই পরিবার প্রধানের নাম: আবদুল্লাহ, পিতা-শহরমুল্লুক, কাটাবনিয়া। উল্ল্যেখ্য বিষয় যে, তাদের মধ্যে রেশটা বাড়তে থাকলে রুবেল এবং জিয়াউর রহমান আমাকে টার্গেট করে। তারা ২০১৪ সালে চলমান অভিযান মানব পাচারকে কেন্দ্র করে টেকনাফ থানার এক অসাধু কর্মকর্তার সাথে মোটাংকের বিনিময়ে কন্ট্রাক্ট করে আমাকে রাতের অন্ধকারে ঘর থেকে উঠানে বের করে মাঠিতে শুইয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে এবং পিটে গুলি করে। এসময় তাদেরকে বাঁধা দিতে চাইলে মা এবং ছোট ভাইকে ও মাথায় আঘাত করে।
তারপর আমাকে থানায় নিয়ে যায়। তখনকার সময়ের ওসি সাহেব, ষড়যন্ত্রে লিপ্ত উক্ত এস আইকে কে বকাঝকা করে আমাকে গুলি করেছে তাই এবং আমাকে চিকিৎসা করে নিয়ে আসতে বলে। ওনি আমাকে টেকনাফ সদর হাসপাতালে নিযে যায় কিন্তু প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ওইদিন রাতেই কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে ডাক্তাররা। এরপর প্রায় ১০ দিন চিকিৎসা শেষে আমাকে গ্রেফতারের করে চালান দেয়। এর তিন মাস পর কারাগার থেকে জামিনে বের হয়। এখানে উল্ল্যেখ্য যে, ঘটনার ৫ দিন আগে আমি চট্টগ্রাম থেকে বাড়িতে এসেছিলাম, তখন আমি ইউনির্ভাসিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি এন্ড সাইন্স এর ৮ সেমিষ্টারের আইনের ছাত্র । স্টুডেন্ট আইডিনং- ০৯৫৩০০৯৮।

কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতে ওই নিরহ পরিবারের সাথে তাদের আবারো বিরোধ দেখা দিলে তারা ওই নিরহ পরিবারের ঘর বাড়ি ভেঙ্গে দেয়। এরপরে জিয়াউর রহমান কে বা কারা রাতের অন্ধকারে হামালা করে। কিন্তু আসল অপরাধীদের আসামি না করে আমাকে ৭ নং আসামি এবং আমার পরিবারের ৯ জনকে আসামি করে। তারপরের দিন আমার ভাগিনা ওমর ফারুক কে দিন দুপুরে কোন কারণ ছাড়াই বাজারের মধ্যে দা, কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেয়। তখন আমরা তাদের আসামি করে একটি ৩২৬ ধারার মামলা করি। মামলা ২টি র্বতমানে মহামান্য আদালতে বিচারাধীন আছে।

সে সময় থেকে যা কিছুর বিরুদ্ধে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আসছে, এই অভিযানকে পূঁজি করে তারা বিভিন্ন অসৎ উপায় অবলম্বন করে বিভিন্ন অনলাইন র্পোটালে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা খবর প্রকাশ করতে সদা তৎপর থাকে। তারা প্রায় সময় আমাকে ইয়াবা পাচারে সাহায্যকারী, চট্টগ্রামে আমার জায়গা জমি আছে, আমার নাম দিয়ে চাঁদা তোলা হয় ইত্যাদি অপপ্রচার চালিয়ে থাকে। যার কোন ভিত্তি নেই একং সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত।

যারা এসব মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে অর্থাৎ রুবেল এবং জিয়াউর রহমান, তার ভাগিনা ফারুক এবং বড়ভাই রা উপরে উল্লেখিত অপরাধের সাথে লিপ্ত এবং এইসব অপরাধ ও অপর্কম থেকে নিজেদের বাচাঁনোর জন্য আমাকে ও আমার পরিবারকে অপরাধী বানানোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

উক্ত মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের জন্য আমি এবং আমার পরিবার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তারা আমাকে নিয়ে ভুয়া নিউজ করে জনগন এবং প্রশাসন কে বিভ্রান্ত করছে।

সংবাদ একটি সত্যের বাহন,সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, তাই আপনাদের ব্যক্তি স্বার্থের জন্য হলুদ সাংবাদিকতা না করে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে জনস্বার্থে এগিয়ে আসুন।

আইন শৃংখলা বাহীনির প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, এই ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী, মানব পাচারকারী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে আপনাদের অভিযান অব্যাহত থাকুক।

নিবেদক
ফয়েজ উল্লাহ
পিতা মৃত আজিজুর রহমান মেম্বার
কাটাবুনিয়া, সাংবরাং
টেকনাফ।

শর্টলিংকঃ