প্রতিন্দন্দ্বী প্রার্থীর অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান


সম্মানিত টেকনাফবাসী
আমি কোহিনুর আক্তার ছোট কাল থেকেই রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা এক তরুণ নেত্রী, আমার মা মহিলা মেম্বার ছিল পাঁচ বছর,এছাড়া সিলেকশন কমিশনার ছিল তিন বছর, আমার মা বিগত উপজেলা নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়েছিল, যে জয় ডাকাতির মাধ্যমে ছিনিয়ে নেয়া হয়েছিল। তারপর মা অভিমান করে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ায়। দীর্ঘ ষোল বছর আমি কারো ঘরের পুত্র বধু হয়ে সাংসারিক জীবন যাপন করি, নেই আমার কোন সহায় সম্পত্তি, যা কয়েকমাস আগে ওপেন মিডিয়ায় ঘোষনা করে দিয়েছিলাম।
দুই বছর আগে কোহিনুর নামের মেয়েটিকে কেউ চিনত না। এলাকায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা চিন্তা করে গেল নির্বাচনে আমি প্রার্থীতা ঘোষনা করি। আমার বিপক্ষে প্রার্থী ছিল দুইজন। আমি বিপুল ভোট বিজয়ী হওয়ায় তারা জামানত ও ফেরত পাইনি। আমাকে ভোটের মাধ্যমে টেকনাফ পৌরসভায় প্যানেল মেয়র ঘোষণা করা হয়। জনগণের ভোটের মুল্যায়ন আমি নিজ দায়িত্ব মনে করি। এ থেকে আমার হাত ধরেই বন্ধ হয় নারী নির্যাতন, স্বাক্ষর বাণিজ্য, বিচার বাণিজ্য, ভোটার বাণিজ্য, যার কারণে লেগে যায় কাউন্সিলরদের সাথে বাকযুদ্ধ। দুই বছর আগে জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী কানিজ ফাতেমা আন্টি ফেরুজা মেম্বারের মাধ্যমে আমাকে দেখা করতে খবর পাঠায়, আমি গেলাম জেলায়, তখন কানিজ আন্টি আমাকে সভানেত্রী হয়ে মহিলা আওয়ামীলীগের হাল ধরার অনুরোধ জানালেন। বিগত দিনে নারী নেতৃত্বে কোন পুস্পমাল্য শহীদ মিনারে দিত না। আমি তরুণ নেত্রী হয়ে শহীদ মিনারে নারীদের পক্ষ থেকে প্রথম শ্রদ্ধা জানালাম, যা গেল দিনে কোউ পারে নাই। শুধু বাইরে হাউ মাউ করে অন্যের সমালোচনা করা ছাড়া তাদের কোন কাজ নেই।

শুধু মাত্র নাম বিক্রি করার জন্য ছিল মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী। সেই সুবাদে পিছিয়ে পড়া টেকনাফে নারী নেত্রীত্বের অবস্থান তুলে ধরতে হাল ধরলাম মহিলা আওয়ামীলীগের। ওয়ার্ড কমিটি, ইউনিয়ন কমিটি, নির্বাচনী কেন্দ্র কমিটি পর্যন্ত সব প্রস্তুত করে সৃষ্টি করলাম হাজারো নারী নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় সভাপতি সাফিয়া আপা নিজেই খুশিতে টেকনাফে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করল। যা টেকনাফের সবার জানা আছে। নারীদের কষ্টের কথা চিন্তা করে, সন্তান প্রসব বেদনার কোন উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন শেয়ার হোল্ডার নিয়ে প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছি মাননীয় সাংসদের সহযোগীতায় এক উন্নত মানের হাসপাতাল। এরপর পিছু লেগে যায় মদ ও ইয়াবা সেবনকারী একটি কুচক্রি মহল। আমি একটি সরকারী প্রোগ্রামে থাকা অবস্থায় জড়ানো হয় একটি মিথ্যা মামলায়। পরবর্তীতে সেই মামলা থেকে আমি অব্যহতি পেয়েছি।যা টেকনাফে মিডিয়ায় কর্মরত ভাইদের কাছে সব বিষয় জানা আছে। সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
মানবতার সেই উচ্চ সম্মান আমি মিডিয়ার সর্বস্তরের সাংবাদিকদের থেকে পেয়েছি। যার বদৌলতে আমার নাম ধরতে ব্যবহার করা হয় ঢাকার এক ফাও অনলাইনকে।
আমার রাজনৈতিক প্রতিন্দন্দ¦ী প্রার্থীর এক ভাই ও ইয়াবা সেবনকারী ও চাঁদাবাজি করতে গিয়ে একাধিক স্থানে আটক হওয়া বাটপার, আমাকে আয়ুব খান নামের এক কথিত চোর সাংবাদিক ক্রাইম নামের একটি হলুদ মিডিয়া অনলাইনের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করে। আমি চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় একই কথা নিয়ে গত একবছর একই নিউজ করে আসছে একই অনলাইনে। যে চাঁদা চাওয়ার রেকর্ড আমার কাছে এখনো আছে। কিছুদিন আগে তার দুলাভাই আওয়ামীলীগ নামধারী একজন দখলবাজ ও চাঁদাবাজ বলল আমি নাকি ইয়াবা সেবন করি আর স্বামীর টাকা আতœসাত করেছি। ডাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। সে কোন ধরণের আশারাখি সবার জানা আছে। তাদেরকে নির্বাচনে ভোট দিবেন না।
সেই কথিত সাংবাদিক আয়ুব খানকে চাঁদা না দেওয়ায় ও তার দুলাভাইয়ের বারবার অপপ্রচারে কান না দিয়ে বিবেকহীন সম্মানহানিকর দানবদের প্রতিহত করতে আমি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
গেল নির্বাচনে আমি বর্তমান সাংসদ শাহীনা আপার জন্য কতটুকু নিবেদিত ছিলাম, সবার কম বেশি জানা আছে। সেই সুবাদে আমাকে হাজারো নেত্রী উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিতে অনুরোধ জানায়। আমার প্রার্থীতার খবরে অনেক নেত্রী এই নির্বাচনে অংশ নেবে না বলে আমাকে সাহস দিয়েছেন। সেই পথে আমি এগিয়ে যাচ্ছি। সবার কাছে আমি দোয়া প্রার্থী।
নিবেদক
কোহিনুর আক্তার
কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র টেকনাফ পৌরসভা
সভাপতি, মহিলা আওয়ামীলীগ, টেকনাফ উপজেলা শাখা,

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।