ফেরারী আসামীর চাদাঁবাজীতে ১৫ হাজার মানুষ জিম্মি

নিজস্ব প্রতিবেদকteknafnews71 (1)
মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নে অপহরন, পরিবেশ ও বন সহ একাধিক মামলার ফেরারী আসামী জহিরের চাদাঁবাজীতে ইউনিয়নের ১৫ হাজার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সুত্রে জানাগেছে, সম্প্রতি গোয়েন্দা রিপোর্টে সারা দেশে সরকার বিরোধী কার্যক্রম করতে বোমা তৈরীর কাজে ৭৬ জন সনাক্ত করা হয়েছে। সেই বোমা তৈরীর ৭৬ জনের মধ্যে ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের মৃত শামসুল ইসলামের পুত্র জহিরুল ইসলাম একজন বলে এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। জহিরের বিরোদ্ধে দেশে নাশকতা তৈরীর জন্য বোমা তৈরী গোয়েন্দা রিপোর্ট, নিজ এলাকায় দিনদুপুরে অপহরন, পরিবেশ, বন, মানবপাচার, ইয়াবা সড়ক ডাকাতি সহ একাধিক মামলার আসামী জহিরুল ইসলাম।
সে মামলার কারনে পুলিশ প্রশাসনের চোখকে ফাকিঁ দিতে জহির সহ তার সাঙ্গা পাঙ্গারা গা ঢাকা দিয়েছে সেই সুবাধে ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের নিরীহ লোকজনের কাছ থেকে মোবাইল ফোনে এবং প্রকাশ্যে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা চাদাঁদাবী করে আসছে জহিরসহ তার লোকজন। কেহ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে জহিরের নেতৃত্বে অসহায়দের উপর অত্যাচার নির্যাতনের স্টীম রুলার চালিয়ে যাচ্ছে বলে সুত্রে প্রকাশ।
অথচ জহির ক্রসফায়ারের অভিযুক্ত বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। যার কারনে ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ তার বাহিনীর হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রান পেতে ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন বাসী প্রশাসনে সার্বিক সহযোগীতা কামনা করছেন। এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার ওসি মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন দৈনিক আমাদের কক্সবাজারকে জানান, অপরাধকারী যে কেহ হোক আইনের চোখে দোষী সাব্যস্থ হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা। তিনি অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ টহল জোরদার রয়েছে বলে জানিয়েছেন।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।