বন্যা পরিস্থিতি নিরসনে ব্যর্থ সংশ্লিষ্টরা

ইমরান হোসাইন, পেকুয়া ঃbanna
পেকুয়া উপজেলার নিত্য দিনের গল্প, একটু বৃষ্টি হলেই বন্যা ! পেকুয়ার মানুষের সাথে বন্যা ও বেড়িবাঁধ শব্দটি লেগেই আছে। এ যেন পেকুয়ার মানুষের ভাগ্যের প্রতিচ্ছবি। একের পর এক বন্যা ও বেড়িবাঁধ ভাঙ্গন পেকুয়ার মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে কাবু কওে দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ৪দফা বন্যায় মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে। উচু স্থানে টাঁবু টানিয়ে, রাস্তায় বাসা বেধে, কেউবা আবার আতœীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন তারা। বন্যার পানি নামলে তারা যখন ঘরমুখো হলো, চাষাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।ঠিক তখনি আমবার নেমে এল অমানিশার ঘোর অন্ধকার আবারো গত ২দিনের টানা বর্ষন ও পূর্নিমার জোয়ারে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে আবার প্লাবিত হয়েছে পেকুয়া। ইতিমধ্যেই পেকুয়ার উজানটিয়ার বেড়িবাঁধ, মগনামা কাকঁপাড়ার বেড়িবাঁধ এবং পেকুয়ার ছিরাদিয়ার বেড়িবাঁধের অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করে তলিয়ে গেছে পুরো পেকুয়া।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পেকুয়ার নি¤œাঞল পানির নিছে তলিয়ে গেছে। মানুষ চরম দূর্ভোগে পড়েছেন। পেকুয়ার ছিরাদিয়ায় রাস্তার উপরে ৩ফিট পানি! তারপর আবার থেমে থেমে অঝোর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছে। সদ্য মেরামত করা অধিকাংশ বেড়িবাঁধ টেকসই না হওয়াতে ঢলের ¯্রােতে কারনে ভেঙ্গে গেছে। ব্যাপক হারে পানি ডুকছে লোকালয়ে। মানুষের মাঝে এক ধরনের আতংক কাজ করছে। ৪র্থ দফা বন্যায় সংকিত মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
বন্যাপীড়িত লোকজন জানান, আমরা আর সইতে পারছিনা, আমরা এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি চাই। এই বন্যার ফলে আমরা বাড়িঘর, ফসল সবকিছু হায়িয়েছি। ভুক্তভোগীদের দাবি খুব তাড়াতাড়ি এর একটি আসু সামাধান করা হোক।না হয় পেকুয়ার মানুষ আজিবন বঙ্গোপসাগরের সাথে মিতালি হয়ে থাকবে।
এই ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের অবহেলা ও দুর্নিতির কারনে আমরা এভাবে অনাকাংকিত ভাবে বার বার পানিতে ডুবছি।তিনি আরো বলেন, আমরা আর এ দূর্ভোগ সহ্য করতে পারছিনা। আমরা এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি চাই।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।