বিতর্কিত ৯৯ জনের তালিকা দিল ছাত্রলীগের বঞ্চিতরা

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের ৩০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির মধ্যে বিতর্কিত-অভিযুক্ত ৯৯ জনের তালিকা প্রকাশ করেছেন পদবঞ্চিত নেতারা। এই বিতর্কিতদের বাদ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আস্থা রাখছেন তারা। সেই সঙ্গে নতুন করে কমিটি করতে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ চান এই নেতারা।

গতকাল দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাত্রলীগের গত কমিটির সাবেক প্রচার সম্পাদক সাঈফ উদ্দিন বাবু।

এ ছাড়া কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক রানা হামিদ, ছাত্রলীগের উপ-অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা শিকদার, ডাকসুর তানভীর হাসান সৈকত, জসীমউদ্দীন হলের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ খান, কুয়েত-মৈত্রী হল ছাত্রলীগের সভাপতি ফরিদা পারভীন, সুফিয়া কামাল হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইফফাত জাহান এশা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে সাঈফ বাবু বলেন, ৩০১ সদস্যের কমিটিতে শতাধিক বিতর্কিত লোক থাকা সত্ত্বেও ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মাত্র ১৭ জনের নাম প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রতি আহ্বান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মতো বাকিদেরও খুঁজে বের করে সংগঠন থেকে বিতাড়ন করতে হবে। কোনো দাগি আসামি, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী ও গঠনতন্ত্রবহির্ভূত ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের মানুষ হতে পারে না। এরা ছাত্রলীগের টিউমার, যা একসময় ক্যানসারে পরিণত হবে। একই সঙ্গে কমিটিতে থাকা বিবাহিত, বিএনপি-জামায়াত পরিবারের সন্তান, হত্যা মামলার আসামিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে আমরা প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শনার বাস্তবায়ন দেখতে পাচ্ছি। সে কারণে আর নতুন কোনো কর্মসূচিতে যাচ্ছি না। তবে এর ব্যত্যয় ঘটলে আমরা পরবর্তী সময়ে আন্দোলনে যাব। এর জন্য আমরা কোনো সময়ও বেঁধে দেব না। কারণ আমরা আস্থা রাখছি। সংবাদ সম্মেলনে ঘোষিত পদপ্রাপ্তদের মধ্যে অভিযুক্তদের মধ্যে সহসভাপতি পদে রয়েছেন ২৮ জন।

তারা হলেন-তানজিল ভূঁইয়া তানভীর (বয়স উত্তীর্ণ ও ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, সম্মেলনের সময় বয়স ২৯ বছর ৬ মাস ১৭ দিন), রেজাউল করিম সুমন (চাকরিজীবী ও মাদকাসক্ত), আরেফিন সিদ্দিক সুজন (মাদক ব্যবসায়ী, সূর্যসেন হলের তার নিজ কক্ষ ৩১৫ রুম থেকে হল প্রভোস্টের উপস্থিতিতে মাদক উদ্ধার করা হয় এবং রুম সিলগালা করা হয়। তার পিতা মাদারীপুরের পাচখোলা ইউনিয়নের জামাতের আমির ছিল), আতিকুর রহমান খান (মাদকাসক্ত ও অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ছিনতাইয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত, দীর্ঘদিন রাজনীতিতে অনুপস্থিত ছিল), বরকত হোসেন হাওলাদার (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার), আবু সালমান প্রধান শাওন (মাদকাসক্ত ও দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়), শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ (মাদকাসক্ত ও মাদকের মামলা রয়েছে), ফুয়াদ রহমান খান (বয়স উত্তীর্ণ ও দীর্ঘদিন রাজনীতিতে অনুপস্থিত), সাদিক খান (বিবাহিত, মাদকাসক্ত ও দীর্ঘদিন রাজনীতিতে অনুপস্থিত), তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী (বিএনপি ও জামাতঘেঁষা পরিবারের সন্তান), এসএম তৌফিকুল হাসান সাগর (পিতা যুদ্ধাপরাধী), তৌহিদুর রহমান হিমেল (ঠিকাদার ব্যবসা), মাহমুদুল হাসান (জামায়াত পরিবারের সন্তান), সৃজন ভূঁইয়া (চাকরিজীবী অগ্রণী ব্যাংক), তৌহিদুর রহমান পরশ (জীবনের প্রথম পদ), কামাল খান (কোটা আন্দোলনকারী), আবু সাইদ (সাস্ট, ছাত্রলীগ থেকে আজীবন বহিষ্কার ও শিক্ষককে অপমান করায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত), খালিদ হাসান নয়ন (বয়স উত্তীর্ণ ও মেডিক্যালের প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত ও ডাকাতি মামলার বর্তমান আসামি), আমিনুল ইসলাম বুলবুল (হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি এবং ৬টি মামলার আসামি), রুহুল আমিন (সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বিবাহিত), সোহানী হাসান তিথি (একাধিকবার বিবাহিত), মাহমুদুল হাসান তুষার (শিবিরকর্মী), এসএম হাসান আতিক (৩৯তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত ও বিবাহিত), সুরঞ্জন ঘোষ (বয়স উত্তীর্ণ), জিয়ান আল রশিদ (ব্যবসায়ী, গ্লোব কোম্পানির পরিচালক), সোহেল রানা (বয়স উত্তীর্ণ ও প্রথম পদ), মুনমুন নাহার বৈশাখী (বিবাহিত ও জামায়াত পরিবারের সন্তান), তরিকুল ইসলাম (চার্জশিটভুক্ত ছয়টি মামলার আসামি ও নিয়োগবাণিজ্য প্রতারণা)।

তিন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন-প্রদীপ চৌধুরী (নকলের দায়ে ঢাবি থেকে তিন বছরের জন্য বহিষ্কার ও পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে আগুন ভাঙচুর), শাকিল ভূঁইয়া (পিতা খোকন ভূঁইয়া মাদারীপুর পৌর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক), মোর্শেদুল হাসান রূপম (ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল)।

সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌস আলম (রাজাকার পরিবারের সন্তান, যৌন হয়রানিকারী এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত), উপপ্রচার সম্পাদক সিজাদ আরেফিন শাওন (বিবাহিত ও সন্তান রয়েছে), উপদপ্তর সম্পদাক মাহমুদ আব্দুল্লাহ বিন মুন্সি (কোটা আন্দোলনের সংগঠক, বঙ্গবন্ধু হল) উপগ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক সৌরভ নাথ (লুবনান থেকে চাঁদাবাজির দায়ে ৩ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি), উপ-সাংস্কিৃতিক সম্পাদক আফরীন লাবনী (একাধিক বিবাহিত), উপআন্তর্জাতিক সম্পাদক ফুয়াদ হাসান (বয়স উত্তীর্ণ, মাদক ব্যবসায়ী), উপপাঠাগার সম্পাদক রুশী চৌধুরী (বিবাহিত), ধর্ম সম্পাদক তাজউদ্দিন (শিবিরের অর্থ সম্পাদক), উপগণশিক্ষা সম্পাদক মনিরুজ্জামান তরুণ (প্রথম পদ), উপ-ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদক সালেকুর রহমান শাকিল (প্রথম পদ), উপস্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. শাহজালাল (প্রথম পদ ও সাবেক শিবিরকর্মী, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের প্রেস রিলিজে আছে), উপ-গণযোগাযোগ সালাউদ্দিন জসিম (ওয়ারী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক, বিবাহিত), সুশোভন অর্ক (উপগণযোগাযোগ, চাকরিজীবী, বাংলাট্রিবিউন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার), আসিফ ইকবাল অনিক (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক, বিবাহিত), মো. তুষার (উপ-বেসরকারি, প্রথম পদ), রাকিবুল ইসলাম সাকিব (উপ-বেসরকারি, বিবাহিত), শাহরিয়ার মাহমুদ রাজু (উপ-আপ্যায়ন, জসিমউদ্দিন হলের ৩২১নং রুম থেকে ইয়াবা সেবনকালে হল প্রোভোস্টের সহায়তায় পুলিশে সোপর্দ), হিরণ ভূঁইয়া (উপ-মানবসম্পদ, ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কৃত), এসএম মাসুদুর রহমান মিঠু (কৃষি সম্পাদক, বিবাহিত), অভিমুন্য বিশ্বাস অভি (উপ-কর্মসংস্থান, ইউনানি ওষুধ ব্যবসায়ী), জাফর আহমেদ ইমন (সহসম্পাদক, ছাত্রদল নেতা, প্রথম পদ), তানভীর আব্দুল্লাহ (সহসম্পাদক, ব্যবসায়ী/প্রথম পদ), সামিহা সরকার (সহসম্পাদক, পিতা-গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বিএনপি মনোনীত ওয়ার্ড কাউন্সিলর, বিবাহিত), ফারজানা ইসলাম রাখি (সহসম্পাদক, বিবাহিত), তামান্না তাসনিম তমা (সহসম্পাদক, বিবাহিত/প্রথম পদ), মো. মেহেদী হাসান রাজু (সহসম্পাদক) এসআই পরীক্ষার প্রক্সি দিতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামি, আঞ্জুমান আরা অনু (সহসম্পাদক, বিবাহিত, প্রশ্নফাঁস জালিয়াতের সঙ্গে জড়িত), আসিফ রায়হান (সহসম্পাদক, পিতা-০৬নং গুপ্তি ইউনিয়ন, চাঁদপুর বিএনপির সভাপতি), শফিকুল ইসলাম কোতয়াল (সহসম্পাদক, ১ম পদ), শেখ আরজু (সহসম্পাদক, বিবাহিত), ফয়সাল করিম দাউদ খান (সদস্য, ১ম পদ), আল ইমরান (উপকর্মসংস্থান, বাবা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, প্রথম পদ), ওয়াহিদুজ্জামান লিখন (উপ-আন্তর্জাতিক, ১ম পদ), সোহেল রানা সান্ত (সহসম্পাদক, আজীবন বহিষ্কার), বেলাল মুন্না (উপমানব, বিবাহিত) মেসকাত হোসেন (উপপ্রশিক্ষণ, সাংবাদিকদের রুম ভাঙচুর করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২ বছরের জন্য বহিষ্কার), শহিদুল ইসলাম (সহসভাপতি, সাবেক চাকরিজীবী ও দীর্ঘদিন রাজনীতিতে অনুপস্থিত), ফরহাদ হোসেন তপু (সহসভাপতি, বিবাহিত) তানজীদুল ইসলাম শিমুল (সহসভাপতি, বিগত চার থেকে পাঁচ বছর ছাত্রলীগের কোনো মিছিল-মিটিংয়ে দেখা যায়নি), সোহানুর রহমান সোহান (সাংগঠনিক সম্পাদক, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পূর্বে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ী), আরিফ শেখ (উপপ্রচার, পুলিশের কাছে মাদকসহ আটক), বায়েজিদ কোতয়াল (উপক্রীড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত), মহসিন খন্দকার (উপ-অর্থসম্পাদক, সাধারণ সম্পাদকের বাসার দেখাশোনা করে), রাকিনুল হক চৌধুরী (আন্তর্জাতিক সম্পাদক, সভাপতির আপন ভাই), রনি চৌধুরী (সহসম্পাদক, মুন্সীগঞ্জের কোলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আসিফ হাওলাদারের হত্যা মামলার আসামি), এম সাজ্জাদ হোসেন (সহসভাপতি, ছাত্রলীগের প্রথম পদ ও বিবাহিত), এসএম মাহবুবুর রহমান সালেহী (উপ-আন্তর্জাতিক, দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয়), ওমর ফারুখ পাংকু (সহসম্পাদক, বিএনপি পরিবার, আপন চাচা শরীয়তপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, বাবা শরীয়তপুর সদর উপজেলা যুবদলের সহসভাপতি), আলিমুল হক (সহসভাপতি, পহেলা বৈশাখের কনসার্টে অগ্নিসংযোগকারী। বড় ভাই মঞ্জিল হক শুনই ইউনিয়ন বিএনপির নেতা), মো. রাকিব হোসেন (অর্থ সম্পাদক, আপন বড় ভাই রাজু আহমেদ সহসভাপতি, নড়িয়া উপজেলা ছাত্রদল, মামা অ্যাডভোকেট হেলাল আকন্দ শরীয়তপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), শফিউল ইসলাম সজিব (উপস্বাস্থ্য, ৩৯তম বিসিএসের সহকারী সার্জন হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত, ছাত্রলীগের প্রথম পদ), মাজহারুল ইসলাম মিরাজ (সহসভাপতি, বিএনপি পরিবারের সন্তান), রাকিব উদ্দিন (সহসভাপতি, ঠিকাদার) নাজিম উদ্দিন (সাংগঠনিক সম্পাদক, ৫ জানুয়ারী নির্বাচনের পূর্বে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে), রেজাউল করিম (সহসম্পাদক, বিবাহিত, বয়স উত্তীর্ণ ও মাদক মামলা আছে), ফেরদৌস শাহরিয়ার নিলয় (উপত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদক, বিএনপি পরিবার), নিলায়ন বাপ্পী (উপপ্রচার, বিবাহিত), মোমিন শাহরিয়ার (উপদপ্তর, মামলার আসামি), মাজহারুল কবির শয়ন (উপনাট্য বিতর্ক, কোটা আন্দোলনকারী), নাজমুল হুদা সুমন (উপগণযোগাযোগ ও উন্নয়ন, বিবাহিত), রবিউল ইসলাম হাসিব মীর (উপকৃষি শিক্ষা, ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ আছে), ইন্দ্রনীল দেব শর্মা রনি (সদস্য সাবেক চাকরিজীবী), জাভেদ হোসেন (পাঠাগার সম্পাদক তার বাবা জামায়াত করে, চাচা কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), ফুয়াদ হোসেন শাহাদাৎ (আইন সম্পাদক, বিবাহিত), সালেকুর রহমান শাকিল (উপত্রাণ ও দুর্যোগ, পিতা-ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বিএনপির মৎস্যবিষয়ক সম্পাদক), আরিফ হোসেন (বিএনপি পরিবারের সন্তান), শফিউল ইসলাম সজিব (উপস্বাস্থ্য, বিএনপি পরিবারের সন্তান), তৌহিদুল ইসলাম জহির (সহসভাপতি, পিতা-ইদ্রিস চৌধুরী শোভন ডন্ডি ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি, মেজভাই গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী পুটিয়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।

মাতা শাহনেওয়াজ চৌধুরী ১৯৯১ সালে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির পুলিং এজেন্ট ছিল)। সংবাদ সম্মেলন করে তালিকা প্রকাশের বিষয়ে জানতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে ফোন দেওয়া হলেও কলটি রিসিভ হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে সাবেক কর্মসূচি ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন, সাবেক দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার শাহজাদা, সাবেক উপ-অর্থ সম্পাদক তিলোত্তমা শিকদার, জসিম উদদীন হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ খান, বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন রহমান, কুয়েত মৈত্রী হলের সভাপতি ফরিদা পারভীনসহ শতাধিক পদবঞ্চিত নেতা উপস্থিত ছিলেন।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।