বাংলাদেশ- মিয়ানমার ট্রানজিট বর্ডার পাশ দু-বছর ধরে বন্ধ

ফরিদ বাবুল, টেকনাফ 90
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর দমন-নিপীড়নের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারের সীমান্ত শহর টেকনাফ-মংডুর বর্ডার পাশ প্রায় ২বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এ কারণে মিয়ানমারের যাতায়াত করতে না পারায় ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানাবিধ সমস্যার
পাশাপাশি সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব এবং মংডু শহরমুখি বাংলাদেশের বেশীরভাগ ব্যবসায়ী বিপাকে পড়েছেন। যাতায়ত বন্ধ থাকার কারণে টেকনাফ স্থলবন্দর টু মংডু শহরমুখি আমদানি ও রপ্তানি অনেকটা ভাটা পড়েছে। টেকনাফ স্থলবন্দর অনেক
ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকা মংডু শহরে থাকা ব্যবসায়ীদের কাছে আটকা পড়েছে। তারা সহিংসতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। টেকনাফ স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ২ বছর ধরে মিয়ানমার মংডু শহর থেকে আগের মত মালামাল আমদানি-রপ্তানি হয় না। তবে বর্তমানে টেকনাফ স্থলবন্দর ব্যবসায়ীরা আকিয়াব ব্যবসায়ীদের সাথে পণ্য আমদানি রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। এই বর্ডার পাস যাতায়াত পুনরায় চালু করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের অভিবাসন সংস্থার ও সীমান্ত এলাকার আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর উর্দ্বতন কর্মকর্তারা মিয়ানমারের অভিবাসন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে বলে জানাগেছে। টেকনাফ স্থল বন্দরের ইউনাইটেড ল্যান্ডপোর্ট এর ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশ মিয়ানমার বর্ডারপাস ট্রানজিট যাতায়াত আবার শুরু হলে টেকনাফ স্থল বন্দরের ব্যবসায়ীরা অনেক লাভবান হবেন। পাশাপাশি রাজস্ব আয়
বাড়বে। বর্তমানে এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঝুলে আছে। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি দু-দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে তা আবার চালু হতে পারে। এদিকে টেকনাফ টু মংন্ডু বর্ডার পাস ট্রানজিট যাতায়াত দীর্ঘ দুই বছর ধরে বন্ধ থাকায় এই ট্রানজিট ঘাট থেকে সরকার প্রতিমাসে হারিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।