মহেশখালী কুতুবদিয়ায় জলদস্যুদের ১২ আস্তানা

10488050_724729550917638_694643675695

মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার ১২ টি জলদস্যু দলের আস্তানা এখনো অক্ষত রয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে আনোয়ারা ও বাঁশখালীর জলদস্যুরা এ আস্তানা গুলোতে আশ্রয় নিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। জলদস্যু কতৃক লুণ্ঠিত মাল রক্ষাণাবেক্ষণ ও নিরাপদে বিক্রি করতে কক্সবাজার শহরে ৪ টি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার এড়াতে চিহ্নিত জলদস্যুরা মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার ১২ টি আস্তানায় আশ্রয় নেওয়ায় স্থানীয় লোকজন আতংকিত হয়ে পড়েছেন।
কুতুবদিয়ার আলী আকবর ড়েইল ইউনিয়নের আবুল কালাম জানান, উত্তর ধুরুং এর আকবর বলীর ঘাট, ছইল্যা পাড়া, বাতিঘর পাড়া ও দরবার ঘাটে রয়েছে জলদস্যুদের আস্তানা। এ আস্তানা গুলো নিয়ন্ত্রণ করে দিদার, মজিদ, বদাইয়া ও ্ইউনুচের লোকজন। সম্প্রতি এ আস্তানা গুলোতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা জলদস্যুরা আশ্রয় নেওয়ায় স্থানীয় লোকজনের মাঝে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। প্রশাসন এ পর্যন্ত ওই আস্তানা গুলোতে অভিযান না চালানোর কারণে তারা নিরাপদে অপরাধ কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
মহেশখালীতে জলদস্যুদের ৮ আস্তানা এখনো নির্মূল করতে পারেনি প্রশাসন। কুতুবজুম ইউনিয়নের এক ইউপি মেম্বার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পাহাড়ের দুইটি আস্তানা অস্ত্র তৈরী সহ জলদস্যু কর্তৃক লুণ্ঠিত মালামাল রাখার নিরাপদ স্থানে পরিণত হয়েছে। হোয়ানকে পুইছড়ি ও কেরুনতলীর দুই পাহাড়ি আস্তানায় প্রশাসনের লোকজন অভিযান চালাতেও ভয় করে। র‌্যাব ও পুলিশ একাধীকবার দুই পাহাড়ী আস্তানায় অভিযান চালালেও জলদস্যুদের কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এই আস্তানা দু’টি জেলার শীর্ষ সন্ত্রাসি বদাইয়া ও বাদইল্যার লোকজন পরিচালনা করছে। একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তাদের সহযোগিতার অভিযোগ। এছাড়াও সোনাদিয়া, ঘটিভাঙ্গা, তাজিয়াকাটা, কালারমারছড়ার চালিয়াতলী, ধলঘাটার সাপমারার ডেইল ও মাতারবাড়ীর সাইরার ডেইলে জলদস্যুদের নিরাপদ আস্তানা রয়েছে।
অপরদিকে কক্সবাজার শহরে ৪টি সিন্ডিকেট জলদস্যুদের মালামাল নিরাপদে বিক্রি করতে সক্রিয় রয়েছে। শহরের উত্তর নুনিয়াছড়া, কস্তুরাঘাট, ৬নং ঘাট ও ফিশারীঘাট কেন্দ্রিক এ চক্রগুলো জলদস্যুদের মালামাল বিক্রি করে তাদের সহায়তা করে থাকে।
কুতুবদিয়া ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জয়নাল আবেদিন কোম্পানী জানান, কস্তুরাঘাটের মোক্তার নামে এক ব্যক্তি জলদস্যুদের মালামাল বিক্রিতে এজেন্ট হিসাবে কাজ করে।
মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, জলদস্যু ও সন্ত্রাসিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সক্রিয় রয়েছে। আগামিতে গ্রেপ্তার অভিযান আরো জোরদার করা হবে। সূত্র : দৈনিক কক্সবাজার।

 

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।