মাদক বিরোধী অভিযান ঝিমিয়ে পড়ায় হ্নীলা স্বর্গরাজ্যে পরিনত


বিশেষ প্রতিবেদক
হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা, আলীখালী ও রঙীখালী উলুচামড়ী ও পশ্চিম পানখালী ইয়াবা পাড়া হিসাবে পরিচিত। মাদক বিরুধী অভিযান থমকে যাওয়ায় এসব পাড়ায় ফের মাদকের সর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। সিনহা হত্যার ঘটনায় টেকনাফ থানাসহ জেলার ৮ থানার পুলিশ এক যোগে বদলীর পর নতুন পুলিশ স্থলাভিষিক্ত হয়। নিয়োগকৃত নতুন পুলিশ এবং গোয়েন্দা। এখনো জানেনা, টেকনাফের ইয়াবা কারবারীদের বাড়ী, ঘর, ও রাস্তা পুলিশ এখনো শুরু করেনী মাদক বিরুধী অভিযান। এছাড়া ১০২ জন আত্মসর্ম্পনকারী মাদক কারবারীদের জামিন। ওদের আত্মীয়স্বজন ও নব্য ইয়াবা কারবারীদের মাদকের রামরাজত্ব এবং আধিপাত্য চলছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, হ্নীলা ইউনিয়ানের প্রায় ইয়াবা পাড়া সমূহ বন ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন। এর মধ্যে জাদিমূড়া, পশ্চিমে লেদা, আলীখালী, রঙ্গীখালী, উলুচামড়ী ও পশ্চিম পানখালী। রোহিঙ্গাা ক্যাম্পের সর্দার এ পাড় ও পাড়ে আত্মীয়তার বন্ধন এবং স্থানীয় মাদক কারবারীদের যোগসাজশে মাদক ব্যবসা পর পাচার চলে আসছে। হ্নীলা যে সব পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় বড় চালান প্রবেশ করে তার মধ্যে নাফনদীর তীরে চৌধুরী পাড়া, ওয়াব্রাং, আনেয়ার মাঝ্যা প্রজেক্ট, পূর্ব লেদা নাফনদীর সংলগ্ন লবন মাঠ, জাদীমূড়া স্কুল ঘাট দমদমীয়া হাজীর খাল। এসব পয়েন্ট দিয়ে আসা ইয়াবার চালান সরাসরী বনে ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প সমূহ মওজুদ করা হয়। পরে অভিনব কৌশলে দেশের বিভিন্ন পান্তে পাচার হয়ে যায়। সূত্রে জানায়, বনের ভিরত দিয়ে বেশীর ভাগ ইয়াবা হাতবদল হয়ে কক্সবাজার কলাতলী হয়ে স্থল ও নৌপথে পাচার হয়ে চলে যায়। সূত্র আরো জানায় উল্লেখিত ইয়ারা পাড়া সমূহ বর্তমানে নব্য ইয়াবা কারবারীদের দখলে এবং তাদের পোয়াবারো চলছে। তাদের মধ্যে লেদার নব্য ইয়াবা কারবারী অলি আহমদের পুত্র সামাদসহ ৩ সহোদর অল্প সময়ে মাদকের কালোটাকার বিপুল অর্ত ও বিত্তের মালিক বনে গেছেন। এছাড়া জাহাঙ্গীর, মৃত মনিরুজ্জমানের পুত্র শামসু ও শাব্বির সুন্দরী রমনী দিয়ে বেশীর ভাগ মাদক পাচারের সাথে জড়িত। অপরদিকে হ্নীলা চৌধুলী পাড়া এটি একটি রাখাইন পাড়া হিসাবে পরিচিত। এটি নাফনদীর তীরে। এ পাড়ায় মাদক সম্্রাট হিসাবে খ্যাত ভয়েস নামক এক রাখাইন বাংলা চোলাই মদ ও ইয়াবা ব্যবাসায়ী হিসাবে এলাকায় জনশ্রুত থাকলেও তাকে মাদক বিরুধী অভিযানকারী দলের লোকেরা চিনেনা। সে মাদকব্যবসার অপরাধ থেকে বাচতে ঢাল হিসাবে স্থানীয় বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচালনা কমিটির সভাপতির পদ নিতে অনেক অর্থ ব্যায় করেছেন। একে পূজি করে এর আড়ালে চলতো মাদক ব্যবসা। এমনকি মাদক ব্যবসা নিরাপদে চলাতে এবং আইন শৃংখলা বাহিনীর অভিযান থেকে বাচতে চৌধুরী পাড়ার প্রবেশ পথ হতে ভয়েসের বাড়ী পর্য্যন্ত গোপন সিসি ক্যামরা স্থাপন করে রাখে। তার মাদকের চালান বেশীর ভাগ লবণ বোঝাই ট্রাকের আড়ালে পাচার হয়ে যায়। তার মাদকের অবৈধ ব্যবসা নিরাপদে চলাতে স্থানীয়দের ম্যানেজ করেই এ ব্যবসা দিভ্রি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ প্রসংগে টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক মোঃ ফয়সাল খান বালেন, বিষয়টি জানলাম এবং অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিবে। টেকানফ থানার ওসি বলেন,  মাদক বিরুধী অভিযান শুরু হবে। তালিকা তৈরী প্রায় চুড়ান্ত । চলবে

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ