মাদ্রাসা ছাত্রী অপহৃত

রামুর খুনিয়া পালংয়ে অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রী ৮ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও উদ্ধার হয়নি। জানা যায়, রামুর খুনিয়া পালং ইউনিয়নের পূর্ব ধেচুয়া পালং গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে ফাতেমা বেগম (১৬) অপহৃনের ৮ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো খুজে পাওয়া যায়নি। এই নিয়ে ফাতেমার পরিবারে হতাশা নেমে এসেছে। রামুর খুনিয়া পালং ইউনিয়নের ধেচুয়া পালং রহমানিয়া মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী ফাতেমা বেগম গত ১৪ অক্টোবর ছোট ভাই কাজল (১০) কে সাথে নিয়ে বই কেনার জন্য মরিচ্যা লাইব্রেরীতে এসে কেনাকাটা শেষ করে রিক্সা যোগে বাড়ী ফেরার পথে আগে থেকে উৎপেতে থাকা স্থানীয় ধোয়া পালং গ্রামের আবুল কাশেম এর পুত্র চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী ওসমান (২৫) টেনে হেঁচড়ে তার সিএনজি গাড়ীতে তোলে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে। ফাতেমার ছোট ভাই কাজল কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমি এবং আমার বোন রিক্সা নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে ওসমান ও তার সহযোগীরা আমাকে মারধর করে আমার বোনকে সিএনজিতে তোলে নিয়ে যায়। এব্যাপারে ফাতেমার মা জানান, ছোট ছেলের কাজলের নিকট থেকে আমার মেয়ে ফাতেমাকে ওসমান ও তার সহযোগী কতৃক তোলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা শোনার পর ওসমানের পরিবারকে অবহিত করলেও আজ পযর্ন্ত আমার মেয়েকে ফিরিয়ে দেয়নি। আমার মেয়েকে ওই লম্পট ওসমান কোথায় নিয়ে গেছে জানিনা। আমি আমার মেয়েকে ফিরিয়ে পেতে চাই। জানতে চাইলে স্থানীয় সমাজ সেবক হোসন মাঝি ও মাদ্রাসার সুপার নুরুল আমিন জানান, মেয়ে হিসেবে ফাতেমা অত্যান্ত মেধাবী। তিনি আগামী ২০১৫ সালের দাখিল পরিক্ষার্থী। তাকে লম্পট ওসমান কতৃক অপহরণ কোন কিছুতে মেনে নেয়া যায়না। আমি ঐ লম্পটের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করছি। অপহরণের বিষয়ে ওসমানের পিতা আবুল কাশেম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি অপহরণের ঘটনা সত্য নয় বলে দাবী করেন। তবে ছেলে ওসমান ফাতেমাকে ভালবাসত বলে স্বীকার করেন। ফাতেমা কোথায় আছে জানতে চাইলে তিনি তা এড়িয়ে যান। এই নিয়ে এলাকায় চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।