মেরিন ড্রাইভের পাশে নির্মাণ হচ্ছে অপরিকল্পিত স্থাপনা

ইসলাম মাহমুদ :

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক কলাতলী সৈকত থেকে টেকনাফের সাবরাং পর্যন্ত ৮৭ কিলোমিটার। একপাশে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। অন্যপাশে পাহাড়। এর মাঝ দিয়ে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সৈকত রক্ষায় সরকারের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ সড়কটি নির্মাণ করেছে।

সমুদ্র সৈকত আর পাহাড় টিলার মিতালী দেখতে প্রতিদিন ভিড় জমে পর্যটকদের। মেরিন ড্রাইভ সড়কের মূল আকর্ষণ হচ্ছে এক পাশে পাহাড় অন্য পাশে সমুদ্র দেখা।

ইনানী থেকে সাবরাং পর্যন্ত ৫৪ কিলোমিটার সড়কের পূর্ব পাশে পাহাড়ের ঢালে রয়েছে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি। এরই মধ্যে এসব জায়গা কিনেছে দেশের নামিদামি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। এরই মধ্যে কলাতলি থেকে ইনানী পযর্ন্ত ৩৩ কিলোমিটার সড়কের দু’পাশে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে । যার কারণে মেরিন ড্রাইভ সড়কের সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলেছে।

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভের পাশে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে সমুদ্র আর পাহাড়ের মিতালীর সৌন্দর্য যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংসের আশঙ্কা বাড়ছে। তাই মেরিন ড্রাইভ এলাকাকে বিশেষায়িত অঞ্চল ঘোষণা করার প্রস্তাব দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

আর এ কারণেই এই সড়কের সৌন্দর্য রক্ষা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় বিশেষায়িত এলাকা ঘোষণা করে পরিকল্পিত থিমেটিক নগরী গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও মেরিন ড্রাইভ ঘেঁষে গড়ে উঠছে অপরিকল্পিত স্থাপনা। বিজ্ঞ আইনজীবি অ্যাডভোকেট রমিজ আহমেদ বলেন, অপরিকল্পিত স্থাপনা হয়ে গেলে তা উচ্ছেদের আইনি জটিলতা আছে। তাই এখনি পদেক্ষেপ নিতে হবে। এসব অবৈধ ও অপরিকল্পিত স্থাপনার ফলে আড়াল হচ্ছে প্রকৃতি।

পরিবেশকর্মীরা মনেকরেন, অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণের প্রতিযোগিতা শুরু হলে মেরিন ড্রাইভের দু’পাশে অবৈধ দখলদারিত্ব শুরু হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে ।

সূত্র: কক্সবাজার টাইমস

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।