যে পাঁচ বিষয় নারীর যৌন চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করে

কারো যৌন চাহিদা বেশি থাকে, কারো বা কম। এ ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয় এ যৌন চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করে তা জানেন কি? এ লেখায় রয়েছে তেমন পাঁচটি বিষয়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
১. দৈনন্দিন অভ্যাস
দৈনন্দিন অভ্যাসগুলো মানুষের বহু বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করে। কোন বিষয়ে আনন্দ হয় এবং কোন বিষয়ে অন্যকোনো অনুভূতি হয় এসব বিষয়ে অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর এ ধারার বাইরে নয় যৌনতাও। গবেষকরা জানাচ্ছেন ইয়োগার মতো অনুশীলন ২০ ভাগ পর্যন্ত যৌনতা বাড়াতে পারে। এ ছাড়া রয়েছে খাবারের অভ্যাস। আপনার খাবারের ওপর আপনার দৈনন্দিন কার্যক্রম অনেকাংশে নির্ভর করে। বিশেষ করে শিল্পকারখানায় প্রক্রিয়াজাত খাবার আপনার দৈনন্দিন যৌনতার আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে সুস্থ খাবার এ প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।
২. আচরণ
আপনার দেহ ও মনের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ওপর যৌনতা অনেকাংশে নির্ভর করে। ভয়, নিরাপত্তাহীনতা, অপরাধবোধ কিংবা অনুরূপ অনুভূতি যৌনতার আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দিতে পারে।
৩. সম্পর্ক
নারীর যৌনতার আকাঙ্ক্ষা নির্ভর করে এমন একটি বড় বিষয় হলো সম্পর্ক। এটি আবেগগত বিষয় এবং এর ওপর যৌনতার ইচ্ছা-অনিচ্ছা অনেকাংশে নির্ভরশীল। ভবিষ্যতের চিন্তায় যৌনসঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ককে নারী অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। আর এর প্রতিফলনই ঘটে যৌন আকাঙ্ক্ষার ওপর।
৪. মানসিক চাপ
মানসিক চাপ দৈনন্দিন সব কাজের ওপর প্রভাব ফেলে। একই ভাবে তা যৌনতার ওপরও প্রভাব ফেলতে সক্ষম। কর্মক্ষেত্রে যদি মাত্রাতিরিক্ত চাপ থাকে তাহলে তা সেই ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনও পর্যুদস্ত করতে পারে। একই ধারায় তা যৌনতাকে বিপর্যস্ত করতে পারে।
৫. হরমোন
দেহে উৎপাদিত হরমোন একজন মানুষের যৌন ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর প্রভাব বিস্তার করে। টেস্টোস্টেরোন, এস্টোজেন ও প্রগেস্টেরন হরমোন যৌনতার এ ইচ্ছা-অনিচ্ছা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করে। এ হরমোনগুলোর মাত্রা মানুষকে নিরাপদ কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ যৌনতার তাগিদ দেয়।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।