রোহিঙ্গারদের পর এবার কাচিন ও তাংদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে মিয়ানমার সেনা

রোহিঙ্গাদের পর এবার তাং ও কাচিনে জাতিগোষ্ঠীর উপর নির্যাতন চালাচ্ছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। গত দুই দিনে মিয়ানমারের কাচির ও শান রাজ্যে তাং ও কাচিন বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এ ঘটনায় দুই রাজ্যের হাজার হাজার মানুষ প্রাণভয়ে পালিয়ে যাচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মিডিয়ায় খবর প্রকাশিত হয়েছে।

এশিয়ান করেসপন্ডেন্টের জানিয়েছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও শান রাজ্যের জাতিগত বিদ্রোহী গ্রুপ তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ)’র মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ায় ওই এলাকা থেকে শত শত গ্রামবাসী পালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় এক স্বেচ্ছাবেসী সংগঠন বুধবার সংবাদ মাধ্যমকে এ কথা জানায়।

সোশ্যাল রেসকিউ এসোসিয়েশন নামকে একটি সংগঠনের সদস্য উ তিন মং থিয়েন জানান, প্রায় এক হাজার গ্রামবাসী কাইয়ুকমি শহরের প্যাগোডাগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। নামশান টাউনশিপের কাছে কিয়াং তাইং গ্রাম থেকে এসব উদ্বাস্তু আসছে।

থিয়েন বলেন, বুধবার সংঘর্ষের খবর পাওয়া না গেলেও জীবনের ভয়ে লোকজন পালিয়ে যাচ্ছে। কারণ, দুই পক্ষের সৈন্যরা গ্রামের কাছাকাছি অবস্থান গ্রহণ করেছে।

ওই অঞ্চল থেকে আরো অনেকে পালিয়ে যাবে বলে থিয়েন উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, পলায়নপর গ্রামবাসীকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে আমাদের টিম সেখানে গিয়েছে। কত মানুষ এ পর্যন্ত গৃহহীন হয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান এখনো বলা যাচ্ছে না।

মিয়ানমার সেনাবাহিনী ২ জানুয়ারি টিএনএলএ’র সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িত হওয়ার কথা স্বীকার করে। একই দিন কাচির রাজ্যে কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি (কেআইএ)’র সঙ্গেও সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানায়।

সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয় যে কাচিন রাজ্যের হাপকান এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর চৌকিতে গত মাসে কেআইএ হামলা চালায়।

যুদ্ধে টিএনএলএ এবং কেআইএ ভারি অস্ত্র ও ল্যান্ডমাইন ব্যবহার করছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।