রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিনামূল্য চালু করেছে জোবাইক

দেশে প্রথমবারের মত চালু হয়েছে স্মার্টফোন ভিত্তিক বাইসাইকেল শেয়ারিং সেবা ‘জোবাইক’। পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পরীক্ষামূলকভাবে এই সেবা শুরু হয়েছে।

আজ সোমবার এ সেবার উদ্বোধন করেন জোবাইকের প্রতিষ্ঠাতা এবং নির্বাহী প্রধান মেহেদী রেজা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহ-প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আজহারুল কুদরত খান ও পাবলো অ্যাগুয়ো এবং অপারেশন ম্যানেজার ইসতিয়াক আহমেদ শাওন।

ছেলে মেয়ে উভয়ের ব্যবহার উপযোগী হিসেবে তৈরি জোবাইকের স্মার্ট এই সাইকেলের সঙ্গে আছে অত্যাধুনিক লক, সোলার প্যানেল, জিপিএস ইত্যাদি। এই সাইকেলের লক খোলার জন্য দরকার হবে একটি অ্যান্ড্রুয়েড অ্যাপ। অ্যাপ ডাউনলোড করে, অ্যাকাউন্ট খুলে, সাইকেলের সঙ্গে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে সাইকেলটি ব্যবহার করা যাবে। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে কক্সবাজারের কলাতলী, সুগন্ধা এবং লাবণী পয়েন্ট থেকে এই সেবা নেওয়া যাবে।

কক্সবাজারকে কেন বেঁছে নেওয়া হলো এমন প্রশ্নের জবাবে জোবাইকের প্রতিষ্ঠাতা মেহেদী রেজা বলেন, ‘কক্সবাজার বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী। এখানের দেশি এবং বিদেশি পর্যটকদের কক্সবাজার ভ্রমণ সহজ করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। আশা করি দেশের ট্যুরিজম ইন্ড্রাস্ট্রি এবং দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশনে জোবাইক ভূমিকা রাখবে। কেননা বাইসাইকেল একটি সহজ, পরিবেশবান্ধব এবং স্বাস্থকর বাহন।’

তিনি আরও বলেন, ‘অল্প দুরত্বের পথ অতিক্রম করার জন্য সাইকেল ব্যবহারকে উদ্বুদ্ধ করছে জোবাইক। পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং পরবর্তীতে সারা দেশে এই সেবা চালু হবে।’

পরীবেশ বান্ধব, স্বাস্থ্যকর এবং গ্রীন এই ট্রান্সপোর্টেশন ব্যবস্থা চীন, সিঙ্গাপুরসহ ইউরোপের দেশগুলোতে বেশ জনপ্রিয়।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের উন্নয়নকর্মীদের কার্যক্রমকে সহজ করার জন্য এই সেবা বিনামূল্য চালু করেছে জোবাইক। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও এই সেবার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।