সাংবাদিক পেটানো চিকিৎসক বরখাস্ত

Sikdar+Medicalgg

 

এক সাংবাদিককে আটকে রেখে মারধরের ঘটনায় এক চিকিৎসকসহ দুজনকে চাকরিচ্যুৎ করেছে রাজধানীর জেড এইচ শিকদার উইমেনস মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শিকদার গ্রুপের পরিচালক (অপারেশন) এসকিউ ইসলাম মোহন বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ওই ঘটনায় চিকিৎসক সফিউল আজম ও টেলিফোন অপারেটর আবু সুফিয়ানকে চাকরিচ্যুৎ করা হয়েছে।

আগেরদিন শিকদার মেডিকেলের কার্ডিওলজিস্ট ডা. সফিউল আজম ও তার সহযোগীরা প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি শিশির মোড়লকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। সফিউলের পদবি নিয়ে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তথ্য সংগ্রহে গেলে মেডিকেলে আটকে তাকে মারধর করা হয়।

এরপর ‘অনধিকার চর্চা’ হয়েছে মর্মে- শিশিরের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে দু ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেন তারা।

শিশির মোড়ল বলেন, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে পৌনে ১টা পর্যন্ত তাকে আটকে রেখে ‘নির্দয়ভাবে’ পেটান সফিউল ও তার সহকর্মীরা।

সফিউল একই সময়ে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় নিজেকে সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পরিচয় দিয়ে সাইনবোর্ড লাগিয়ে চিকিত্সা দিচ্ছিলেন। এবিষয়ে জানতেই তিনি ওই হাসপাতালে গিয়েছিলেন।

সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেতে একজন চিকিৎসককে পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হয়।

শিশির মোড়ল জানান, সফিউল আজম সরকারি চাকরি না ছেড়ে পূর্ণকালীন হিসেবে শিকদার মেডিকেল কলেজে কাজ করছেন বলে তার কাছে তথ্য রয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের একটি ক্লিনিকেও বসেন ডা. সাইফুল, যেখানে তিনি নিজেকে একই সঙ্গে চট্টগ্রাম মেডিকেল ও শিকদার মেডিকেলের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

মারধরের ঘটনায় শিশির মোড়ল বাদী হয়ে হাজারীবাগ থানায় সফিউল আজম ও তার সহযোগী আবু সুফিয়ানকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।