সেনাবাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৫

11051918_743196685790173_5218791216936870633_n

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পাঁচজন নিহত হয়েছে। আহত হন এক সেনা সদস্য। আজ শনিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। সেনাবাহিনী বলছে, নিহত ব্যক্তিরা ইউপিডিএফ ও জনসংহতি সমিতির সশস্ত্র সদস্য। সংগঠন দুটি এই দাবি অস্বীকার করেছে। ঘটনাস্থল থেকে সাতটি অস্ত্র ও ৫১৩টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের নাম রূপায়ন চাকমা। অন্য চারজনের নাম জানা যায়নি। সেনাবাহিনীর ভাষ্য, নিহত ব্যক্তিরা সবাই সেনাবাহিনীর পোশাকে ছিলেন। আহত সেনা সদস্য হলেন কর্পোরাল লিয়াকত আলী। তাঁকে সেনাবাহিনীর চিকিৎসকেরা চিকিৎসা দিয়েছেন।

বাঘাইহাট সেনা জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী হায়দার সিদ্দিকীর ভাষ্য, ঘটনাস্থল থেকে দুটি চাইনিজ রাইফেল, তিনটি এসএলআর (এন ১৬), একটি এসএমজি ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। ৫১৩টি গুলি পাওয়া গেছে।

বাঘাইহাট সেনা জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী হায়দার সিদ্দিকীর ভাষ্য, নিহত সন্ত্রাসীরা চুক্তিবিরোধী হিসেবে পরিচিত ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) ও সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) সশস্ত্র সদস্য। তিনি বলেন, বাঘাইছড়ি উপজেলা সদর থেকে চার কিলোমিটার দূরে রূপকারী ইউনিয়নের বড়আদাম গ্রামে ২০ জনের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী অবস্থান করছে বলে তারা গোপন সূত্রে খবর পান। ভোরে চারদিক থেকে সন্ত্রাসীদের ঘিরে ফেলে সেনাবাহিনী। খবর পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলি ছুড়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। এ সময় সেনা সদস্যরা পাল্টা গুলি ছোড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা ‘বন্দুকযুদ্ধ’ চলে। পরে ঘটনাস্থল থেকে সেনাবাহিনীর পোশাক পরা পাঁচ সন্ত্রাসীর লাশ উদ্ধার করা হয়। বন্দুকযুদ্ধে সেনাবাহিনীর এক সদস্য আহত হন।

ইউপিডিএফের তথ্য বিভাগের প্রধান নিরন চাকমা বলেন, নিহত ব্যক্তিরা তাদের সদস্য না।

জনসংহতি সমিতির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক প্রশান্ত চাকমা বলেন, ‘আমাদের কোনো সশস্ত্র সদস্য নেই। আমাদের সদস্য হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।