হ্নীলার প্রধান সড়কে অসংখ্য গর্ত গুলো মরণ ফাদেঁ

Teknaf-Pic(Road Nilla)-07-09-14
ছৈয়দুল আমিন চৌধুরী, টেকনাফ
টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের ব্যস্ততম বাজার হ্নীলা স্টেশনের প্রধান সড়কে অসংখ্য মরণ গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এই নিয়ে বেশ কয়েকবার সংবাদ মাধ্যম গুলোতে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের টনক নড়েনি। এসব কাদা যুক্ত অসংখ্য গর্তের সৃষ্টির ফলে পথচারীদের পাশাপাশি যানবাহন চলাচলে চরম দূর্ভোগ দেখা দিয়েছে। বলতে গেলে যান চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এসব গর্ত গুলো এখন মরণ ফাঁেদ পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার ঝুঁিক নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যাত্রীবাহি ও পর্যটকবাহি যানবাহন, পন্যবাহি ট্রাক, মিনি ট্রাক, জীপ (চান্দেঁর গাড়ি), ও সাধারন জনগন এবং স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্রছাত্রীদের। হ্নীলা বাজারের দীর্ঘদিন ধরে সৃষ্টি হওয়া গর্তে আটকা পড়ে মাল বোঝাই ট্রাক বৃহৎকার গর্তের সৃষ্টি হয়ে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এলাকাবাসির উদ্যোগে সর্তক সংকেত স্বরূপ লাল পতাকা উড়ানো হলেও এসব মেরামতের কেউ না থাকায় প্রতিনিয়ত দূঘর্টনার পাশাপাশি জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ৬ আগষ্ট সন্ধ্যা ৭ টায় টেকনাফ স্থলবন্দর হতে আসা ২ টি পণ্যবাহী ট্রাক টেকনাফ সড়ক হয়ে শহরে যাওয়ার পথে হ্নীলা বাসষ্টেশন এলাকায় পৌঁছলে দুই পার্শে¦ ২টি ট্রাক সৃষ্ট হওয়া গর্তে পড়ে আটকে যায়। এরফলে পণ্য ও যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল চরম ব্যাহত হচ্ছে। সকাল হতে বিকাল পর্যন্ত অসংখ্য যাত্রীবাহী সিএনজি, টমটম, মাহিন্দ্রা ও অটোরিক্সা দূঘর্টনার কবলে পড়ে। উক্ত গর্তে পড়ে হ্নীলা গার্লস হাইস্কুলের ২ জন শিক্ষার্থী ও ১ রিক্সা চালক আহত হয়। উল্লেখ্য কয়েকদিন পূর্বে ও একটি স্থলবন্দরের পণ্যবোঝাই ট্রাক আটকে পড়ে বিশাল আকারের এ গর্তের সৃষ্টি হলেও সড়ক ও জনপদ বিভাগের কেউ সড়কের এই গর্তটি মেরামতে এগিয়ে আসেনি। এ ব্যাপারে হ্নীলা সড়ক ও জনপদ স্টক ইয়ার্ডের ম্যানেজার জামাল উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানান, সড়কটি এখন ঠিকাদারের অধীনে রয়েছে। তাই এ ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে রাজি হয়নি। উল্লেখ্য গত কিছুদিন আগে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান টেকনাফ সড়ক মেরামত কাজ পায়। টেকনাফ জিরো পয়েন্ট হতে মোচনী পর্যন্ত মেরামতের কাজ করে। কিন্তু এসব কাজ নিম্মমানের হওয়ায় তা বেশীদিন টিকেনি। মেরামতকৃত সড়কে অনেক স্থানে নতুন নতুন গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অথচ ঠিকাদার ঠিকই ৭ কোটি টাকার বিল ইতিমধ্যে উত্তোলন করে নিয়েছে বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে। অবশিষ্ট কাজ এখনো শুরু হয়নি। সম্প্রতি এই সড়ক মেরামত তদারকে কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলীর তৎপরতা না থাকায় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাছিনা আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালিয়ে গেলেও কতিপয় অসাধু কর্তা ব্যক্তিদের হামখেয়ালিপনায় আজ প্রতিটি ক্ষেত্রে এই দুরাবস্থায় চলছে বলে বিশিষ্টজনরা মনে করছেন।######
প্রতিবেদক
ছৈয়দুল আমিন চৌধুরী
টেকনাফ প্রতিনিধি
০১৬৮৩-০৫৫ ২৪৪

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।