টেকনাফে আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে৭০%মাদক নির্মূল হয়েছে:এসপি মাসুদ হোসেন

টেকনাফে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার বিকেলে বাসষ্টেশনে জেলা পুলিশের আয়োজনে ইউএনডিপির সহযোগিতায়‘সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি সমাবেশে পৌর কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসাইনের পরিচালনায় টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন।সভায় বক্তব্য রাখেন-ইউএনডিপির কনসালটেন্ট ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু বক্কর,উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি নুরুল হুদা,আল-জামিয়া ইসলামিয়ার পরিচালক মুফতি কিফায়েত উল্লাহ শফিক, অপারেশন কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম খান,পৌর কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি মোহাম্মদ আলম বাহাদুর,হ্নীলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল গণি,টেকনাফ সদর কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি ডাঃ নুর মোহাম্মদ গণি,বাহারছড়া কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি আজিজ উল্লাহ প্রমূখ।আরো উপস্থিত ছিলেন,ডিএসবির পরিদর্শক মিজানুর রহমান,মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত)এবিএমএস দোহা,বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন,উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, ইউএনডিপি দাতা সংস্থার কনসালটেন্ট সৈয়দ ফয়সাল আহমদ,কক্সবাজার জেলা প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর চৌধুরী মোহাম্মদ খালিদ হোসেন এরশাদ,হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী প্রমুখ।
প্রধান অতিথি’র বক্তব্য এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন,টেকনাফে আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে৭০%মাদক নির্মূল করা হয়েছে।তবে ইয়াবার বিস্তারে ব্যাপক ভুমিকা রেখেই চলছে রোহিঙ্গারা।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিত্তিহীন অপ-প্রচারে কান না দিয়ে সজাগ থেকে আগামী দিনসমুহেও আরও দায়িত্বশীল হয়ে কাজ করার আহবান জানানো হয়।তিনি আরও বলেন,কমিউনিটি পুলিশিংয়ের যারা সদস্য আছেন,তাঁদের কাজ কি ?যেহেতু পুলিশের সংখ্যা কম, সমাজে পুলিশের ভূমিকায় কাজ করা এবং পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করাই হলো কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কাজ।অতএব,মনে রাখতে হবে আপনারা যারা কমিউনিটি পুলিশের সদস্য,পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন,দেশ গঠনে ভূমিকা রাখছেন,জঙ্গিবাদ,মাদক,সন্ত্রাস,নারী নির্যাতন ও ইভটিজিংসহ সকল ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতেছেন।আমাদের অভিযান কোন চেহারা দেখে হবে না।হাজ্বী-গাজী, চেয়ারম্যান,অমুক নেতা,এসকলকে আমরা তুচ্ছ মনে করি।কোনভাবেই মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টদের আমরা পরোয়া করিনা।মাদক নির্মূলে যা যা করার দরকার, আমরা তাই করে যাব।আমাদের অভিযান কোন চেহারা দেখে হবে না।হাজ্বী-গাজী,চেয়ারম্যান,অমুক নেতা,এ সকলকে আমরা তুচ্ছ মনে করি।কোনভাবেই মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টদের প্রমাণ পেলে যা যা করার দরকার, আমরা তাই করে যাব।সকল আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রচেষ্টায় বর্তমানে কক্সবাজার কারাগারে ৪হাজার ৩শ’বন্দি রয়েছে তার মধ্যে৩হাজার ২শ’জন মাদক ব্যবসায়ী।আমাদের সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত কঠোর রয়েছে।কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সদস্যদের জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে বলে এখানে দু/একজন বক্তা অভিযোগ করেছেন।আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই-যদি কেউ কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সদস্যদের গায়ে হাত তুলে,তাকে উপযুক্ত দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে।
এসময় মাদক নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায়..প্রধান অতিথি জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন,বিশেষ সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলেদেন এরা হচ্ছেন,উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হুদা,পৌর কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদকনুরুল হোসাইন,ইউএনডিপির জেলা প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর চৌধুরী মো:খালিদ হোসেন এরশাদ ও হ্নীলা ইউপি দফাদার নুরুল আমিন।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ