টেকনাফ বাহারছড়ার স্কুল ছাত্রী অপহরণের মূল হোতারা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে

বাহারছড়া প্রতিনিধি:
টেকনাফে বখাটে যুবকের নেতৃত্বে অপ্রাপ্ত বয়স্ক এক এসএসসি ফল প্রার্থী মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ২০ এপ্রিল উপজেলার বাহার ছড়া ইউনিয়নের বড়ডেইল গ্রামে। থানায় মামলা’র এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উপকুলীয় ইউনিয়ন বাহার ছড়ার বড়ডেইল এলাকার মোঃ আমিন এর মেয়ে মারিশ বনিয়া স্কুলের সদ্যসমাপ্ত এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রত্যাশী (ছদ্মনাম- রুমানা) কে দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার বশির আহমদের পুত্র মোঃ আফসার উদ্দিন(২০) স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে বিভিন্ন ধরণের কটুক্তি ব্যবহার, কূ-প্রস্তাব ও অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে উত্যক্ত করে আসছিল। ওই স্কুল ছাত্রী অসহ্য হয়ে বিষয়টি বাড়ীতে বললে তারা অভিযোক্তদের অভিবাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করে। এরই জের ধরে গত ২০ এপ্রিল ওই স্কুল ছাত্রীকে বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে নিজ বাড়ীর সামনের রাস্তায় একা পেয়ে উক্ত মোঃ আফসার উদ্দিন তার সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে একটি অজ্ঞাতনামা সিএনজিতে করে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাবার সময় তার চিৎকারে আমিসহ পরিবারের অন্যন্য সদস্যরা এেিগয়ে আসলে দ্রুত গতিতে অজ্ঞাত সিএনজিটি পালিয়ে যায়। ফলে তাদের কবল হতে স্কুল পড়–য়া মেয়েকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
স্কুল ছাত্রীর মাতা ছকিনা বেগম বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (মামলা নাং-৩৬, তারিখ- ২৬-০৪-২০২০ ইং) দায়ের করে। এর পর থেকে বিবাদীরা বিভিন্নভাবে বাদী ও তার আত্মীয়-স্বজনকে মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন ধরণের হুমকি-ধমকি ও প্রাণনাশের ভয় দেখাচ্ছে। ছাত্রীর মাতা ছকিনা বেগম জানান, অপহরণের ১০ দিন পার হলেও এখনো পর্যন্ত কোন খোঁজ মিলেনি। আটক হয়নি কোন আসামী। উল্টো অপহরণকারীরা মামলা তুলে নিতে অব্যাহত হুমকি দিচ্ছে। অন্যথায় আমাদের এলাকা ছাড়া করবে বলে শাসাচ্ছে। তিনি আরো জানান, অভিযোক্ত আসামীরা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থাকায় মামলার বাদী পক্ষ নিরাপত্তা হীনতায় ভোগছে। বিবাদীদের প্রাননাশের হুমকিতে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে বলে ও জানান বাদী ছকিনা বেগম। বাদী পক্ষের একজন জানান, কোন ব্যক্তি যদি অপহরণ কারী যুবকের সন্ধান বা হাতে নাতে আটক করে আইনশৃংখলা বাহিনীর নিকট সোপর্দ করে দিতে পারে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।
টেকনাফ মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এবিএমস দোহা মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মামলায় অভিযুক্তদের আটক ও ভিকটিমকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে ও জানান।

 

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ