টেকনাফের সেই পোকা পঙ্গপাল নয় ঘাসফড়িং : বিশেষজ্ঞ দল


 

টেকনাফের দেখা যাওয়া পোকাগুলো পঙ্গপাল নয় বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ববিদদের সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের গঠিত বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি দল।

শনিবার সকালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. রেজাউল ইসলামসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাত প্রতিনিধি দলের সদস্য টেকনাফের লম্বরীর সোহেল সিকদারের বাড়ির আম গাছে ‘পঙ্গপাল’ সদৃশ পোকার হানায় পাতা নষ্ট দৃশ্যটি ঘুরে দেখেন এবং নমুনা সংগ্রহ করেন।

এ সময় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নির্মল কুমার দত্ত, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. নাজমুল বারী ও কক্সবাজারের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সারফুদ্দিন ভূঁইয়াসহ বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নাসির উদ্দীন, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. রবিউল ইসলাম, টেকনাফের কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. হাদিউর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার শফিউল আলমসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নির্মল কুমার দত্ত বলেন, ‘আমরা প্রতিনিধি দলের সবাই একমত হয়েছি পঙ্গপাল নয় এটি ঘাসফড়িং। তবু আমরা নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছি। সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শতভাগ নিশ্চত হতে পারবো এইটি পঙ্গপাল না ঘাসফড়িং। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা নিশ্চিত এটি ঘাস ফড়িংয়ের মত একটি প্রজাতি। যা খুব বেশি ক্ষতিকারক না।

এদিকে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় অতিসম্প্রতি ঘাসফড়িং সদৃশ যে পোকা দেখা দিয়েছে তা ‘পঙ্গপাল’ কি না নিশ্চিত করতে উর্চ্চ পর্যায়ে এই প্রতিনিধি দল পরিদর্শনে আসেন।

সূত্র: মানবকন্ঠ

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ