করোনার সুযোগে …টেকনাফ পৌর শহর ও প্রশাসন এলাকায় চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি


মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ
করোনা ভাইরাসের প্রভাব এবং চলমান লক ডাউন পরিস্থিতিকে সামনে রেখে টেকনাফ পৌর
শহর ও উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন পুরাতন পল্লান পাড়া এবং নাইট্যং পাড়ায় চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি
পেয়েছে। স্থানীয় পেশাদার ইয়াবা খোর এবং সংঘবদ্ধ চোরের দল চলমান করোনা ও লক ডাউন
পরিস্থিতিকে নিরাপদ মনে করে চুরের কাজকে বেঁচে নিয়েছে। প্রশাসনের করোনার ব্যস্থতার
সুযোগকে ওরা অন্যতম নিরাপদ মনে করছেন। ১৩ মে পূর্ব পুরাতন পল্লান পাড়ার সৌদি
প্রবাসী আব্দুর রশিদের ভাড়া বাসায় রাত ৩ টায় তিন তলার ভাড়াটিয়া গার্লস হাই স্কুলের
শিক্ষক বাবু লক্ষী হরিদে বাসার সামনে বেলকনির গ্রীল কেটে বাসায় ঢুকে এবং প্রধান শয়ন
কক্ষের দরজার তালা ভেঙ্গে রক্ষিত আড়াই তোলা স্বর্ণ ও মূল্যবান কাপড় চোপড় নিয়ে যায়। যাহার
অনুমানিক মূল্য ২ লাখ টাকা হবে বলে মালিক জানায়। সংঘঠিত ঘঠনায় ভাড়াটিয়া লক
ডাউনে কক্সবাজারে ছিলেন। ২৫ রমজান প্রশাসন এলাকায় খাদ্য গোদামের চত্তরে একটি চাউল
বোঝাই ট্রাক থেকে ১১ বস্তা চাউল, ১০ হাজার টাকা এবং একটি ব্যবহৃত মোবাইল সেট
চুরি করে নিয়ে যায়। এ সময় গাড়ীর চালক ও হেলপার ঘুমন্ত ছিলেন। রাত ৩ টায় এ ঘটনাটি
ঘটে বলে খাদ্য গোদামের কর্মরত শ্রমিকেরা জানায়। ২২ মে প্রবল বর্ষনের সময় উপজেলা
পরিষদ মসজিদ কমপ্লেক্স মার্কেটের আবুল বশরের দোকানে গভীর রাতে হানা দেয় চোরের দল এবং
দোকানের পেছনের দরজা ভেঙ্গে মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। ২৯ মে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন
নির্বাহী অফিসারের বাসার একটু পূর্বে পুরাতন পল্লান পাড়ায় হাজী ছালেহ আহমদের
ভাড়া বাসার ভাড়াটিয়া এ বিদেশী এনজিও সলিডারিটি দপ্তরে কর্মরত জামালের বাসার
পেছনের দরজা ভেঙ্গে কালার টিভি ও মূল্যবান কাপড় ছোপড় নিয়ে যায়। এ সময় উক্ত বাড়াটিয়া
ছুটিতে বাড়ীতে অবস্থান করছিলেন। এর পূর্বে জালিয়া পাড়ার বাসিন্দ পুরাতন পল্লান
পাড়ায় আনোয়ারের চারতলা আনু বিল্ডিং ভাড়া বাসায় চোরের দল গ্রীল কেটে বেশ কয়েকবার
চুরি সংঘঠিত হয়েছিল। এ ছাড়া ও উপজেলা প্রশাসন সংলগ্ন এলাকা পুরাতন পল্লান পাড়া
বিভিন্ন আবাসিক ও ভাড়া বাসায় চুরি সংঘঠিত হচ্ছে। যা নীরবে চলে যাচ্ছে। প্রসংগঃ
উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরে নৈশ প্রহরী থাকলেও ওদের মূল অর্পিত দায়িত্ব পালন করছেননা।
উল্লেখ থাকে যে, চলমান নাযুক পরিস্থিতিতে অতীতের ন্যায় উপজেলা পরিষদ এলাকায় রাত্রে নৈশ
প্রহরী এবং পুলিশী টহল প্রক্রিয়া চালু করলে চোরের উপদ্রব অনেকাংশে কমে যাবে। এমন
অভিমত প্রকাশ করেছেন, ভোক্ত ভোগীরা। এ প্রসংগে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার
ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিব। …………………..

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ