প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখা

অনলাইন কক্সবাজার লাইভ২৪ ও বিভিন্ন চিহ্নিত ফেইক আইডি থেকে আমার বিরুদ্ধে অযথা মিথ্যা ভিত্তিহীন, বানোয়াট, চরিত্রহীন মাদক আসক্ত বলে প্রচার করা হয়েছে। যা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে, আসল ঘটনা হলো আমি খারাপ প্রকৃতির নাকি ভালো এলাকার সচেতন মহল সবাই জানে। বিশেষ ঘটনা হচ্ছে আমার বড় ভাই দীর্ঘদিন প্রবাসী জীবন যাপন করতেছে। সেই সুযোগে আমার ভাবি রিনা আক্তার কিছু লোকের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হয় এবং তার আপন বড় ভাই চিহ্নিত ইয়াবা ডন (যার বর্তমানে ডজন খানিক মামলার আসামি) ফয়সালের ইয়াবা বহনকারী হিসেবে কাজ করতো এবং আমার ভাবি রিনা আক্তারের ছোট ভাই ডাকাত হাসানের (বিভিন্ন অবৈধ অস্ত্র মামলার আসামি) অস্ত্র জমা রাখতো এবং ভাইদের ইয়াবা বহন করতো রিনা আক্তার টাকার লোভে এবং ভাইদের অবৈধ সব কিছু দেখা শুনা করতো নিজেই। এছাড়া কক্সবাজার নিয়ে পোস্ট অফিসে জমা দিতো ভাই ইয়াবা ফায়সালের মাধ্যমে ।তারা ক্রসফায়ারের ভয়ে আমার ভাবির ভাই হিসেবে আমার বাড়িতে আশ্রয় নিতো। যা আমার পরিবারের কেউ বুঝতে পারিনি যে তারা অবৈধ ইয়াবা অস্ত্র মামলার আসামি ছিলো। কিন্তু আমার ভাবি সব জানার পরও আমাদেরকে অবহিত করেনি। পরে যখন আমরা পরিবারের সবাই (আমার ভাই দেলোয়ার সহজ সরল সৌদি প্রবাসী )জানতে পেরে যখন প্রতিবাদ করি, ঠিক সে মুহুর্তে আমার ভাবি রিনা আক্তারের কিছু পরকীয়া প্রেমিক ফেইক আইডি থেকে আমার এবং আমার পরিবারের সম্মান হানি করার জন্য আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। যার প্রমাণ আমার পরিবার এবং এলাকার প্রতিবেশী সবাই রিনা আক্তারের পরকীয়ার ঘটনা যখন জানতে পারে? তখন সেই বাচ্চাদের স্কুলের নামে অজুহাত দেখিয়ে মাঝ রাতে বাড়িতে আসত। তখন আমি এবং আমার পরিবার জিজ্ঞাসা করলে আমাদের বলতো সেই তার বাপের বাড়ি যায়। রিনা আক্তার ডাক্তারের কাছে যাওয়ার নাম নিয়ে বিভিন্ন হোটেলে যেতো। যা আমাদের এলাকার কিছু লোকের চোখে পড়ে (সাক্ষী প্রমাণ আমাদের কাছে আছে)। আমি বাধা দিলে ষড়যন্ত্রের শিকার হই এবং সেই আমার নিজের বাড়িতে বিভিন্ন পরকীয়া প্রেমিকের সাথে দিবারাত্রী কথা বলতো। যা আমার বড় ভাই অবগত ছিলো না। কিন্তু যখন আমরা সবাই তাকে জিজ্ঞাসা করি তখন সেই বলতো আমার স্বামীর সাথে কথা বলছি। যা ডাহা মিথ্যা কথা? যখন রিনার স্বামী আমার ভাই দেলোয়ার থেকে জিজ্ঞাসা করলে বলে সে তখন ঘুমে ছিলেন। সবশেষে আমি বলতে চাই আমি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক, হ্নীলা হাইস্কুলের সভাপতি, ওয়ার্ড সভাপতি, ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলাম এবং স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিকতাও করেছিলাম।যা আমার পরিচয় অর্থ লোভহীন ছাড়া।
আমি আজ এই পতিতার প্রতিবাদ করতে গিয়ে অপরাধী ও চরিত্রহীন। তাই আমি একজন সচেতন ব্যাক্তি হিসেবে আপনাদের কাছে রিনা আক্তার পতিতার সম্পর্কে সবকিছু তদন্ত পুর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করে সঠিক প্রমাণ করার অনুরোধ রহিল
প্রতিবাদ কারি
আমিনুল ইসলাম
পিতা জহিরুল ইসলাম
গ্রাম ফুলের ডেইল হ্নীলা টেকনাফ

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ