টেকনাফের ভূমি রোহিঙ্গাদের ক্রমশ দখলে যাচ্ছে

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ

বাংলাদেশের দক্ষিণ সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের ভুমি মিয়ানমারের অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের ক্রমশঃ দখলে চলে যাচ্ছে। একদিকে রোহিঙ্গারা কৌশলে ভোটার বনে বাংলাদেশী নাগরিক সেজে যাচ্ছে। একদিকে স্থানীয় প্রভাবশালীর মাধ্যমে বাংলাদেশের ভূমি অধিক মূল্য ক্রয় করে ভুমিতে স্থাপনা নির্মাণ করে স্থায়ী ভাবে বসবাস করছে।

এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশী নাগরিকের ভবিষ্যৎ প্রজম্ম মাথাগোজার মত ভূমি তাদের ভাগ্যে জুটবেনা। এমন অভিযোগ সমাজের বিশি জনদের। মাদক ও মানব পাচারের কালোটাকার বেনামে স্বনামে ক্রয় করে স্থায়ী ভাবে বসবাসের সুযোগ করে দিচ্ছে, একশ্রেনী কায়েমী স্বার্থ বাদীরা।

অনুসন্ধানে এসব তথ্য উপাত্য ফুটে উঠেছে। তথ্যে জানা যায়, টেকনাফ সীমান্ত উপজেলা হোয়াইক্যং, হ্নীলা, বাহারছড়া, টেকনাফ সদর, সাবরাং ইউনিয়ন ও টেকনাফ পৌর শহরের প্রভাবশালীর চত্র ছায়ায় রোহিঙ্গারা ভূমিতে স্থাপনা ইমারত নির্মাণ করে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশী নাগরিকের মতো স্বাধীনভাবে বসবাস করে আসছে।

একদিকে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা পাহাড়ে বসবাস এবং অন্যদিকে স্থলে ভূমিতে সামান তালে বসবাস এখন উদ্বেগভাবে বাড়ছে। কক্সবাজার দক্ষিণ বনভূমির প্রায় ৫ হাজার হেক্টর বনভূমি এখন প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাদের বসবাস চলছে সমান তালে।

সূত্রে আরো জানা যায় বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহারের প্রধান কারণ, মাদক, মানব পাচারের কালোটাকা আত্মীয়তার বন্ধন ও সুন্দরী রোহিঙ্গা নারী বিবাহের মাধ্যমে ওরা অপকৌশলে ভূমির মালিক বনে যাচ্ছেন।

ভবিষ্যৎ প্রজম্মের জন্য একটি হুমকি হয়ে দাড়াবে। বিশেষ করে টেকনাফ পৌর শহরে রোহিঙ্গাদের বসবাসের আশংখ্যা জনক হারে বেড়ে যাওয়া নাইট্যং পাড়া, পুরাতন পল্লান পাড়া, শীলবনিয়া পাড়া, ইসলামাবাদ, এবং টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়া, মৌলভী পাড়া, ছোট ও বড় হাবিব পাড়া। রোহিঙ্গাদের বসতি চোখে পড়ে যা নিয়ে সবাইকে রীতিমতো ভাবিয়ে তুলছে। স্ব স্ব স্থানীয় স্বার্থনেসী মহল বিশেষ রোহিঙ্গাদের পৃষ্ঠপোষকতা স্থায়ী ভাবে বসবাসের সুযোগ করে দিচ্ছে।

পরবর্তীতে ওরা মাদক ও চোরাচালান ও মানব পাচারের সাথে জড়িত হয়ে পড়ে এবং পরিবর্তীতে শেল্টার দেয় সমাজের প্রভাবশালীরা।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ