শাহপরীরদ্বীপের ঘোলার পাড়ায় অসমাজিক কার্যকলাপে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ


শাহপরীরদ্বীপের ঘোলার পাড়ায় কে এই রশিদা বেগম? তার অনৈতিক কর্মকান্ডে এলাকার যুব সমাজ বিপদ গামীর দিকে চলে যাচ্ছে। যাহা নিয়ে গোটা শাহপরীর দ্বীপের অভিভাবক মহল উদিঘ্ন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শাহপরীরদ্বীপ বেঁড়িবাধের বাইরে নাফ নদী ও সাগর তীরে পুরাতন মসজিদের উত্তর পাশ্বে কেওড়া জংগলের ভিতরে ভাসমান অাস্তানা তৈরী করে দিবানিশি চলে বিভিন্ন অসমাজিক কার্যকলাপ। স্থানীয় রশিদা বেগম আইন শৃংখলা বাহিনীর সোর্স পরিচয় দিয়ে খুচরা ইয়াবা ব্যবসার পাশাপাশি কুরুচিপন্ন বিভিন্ন অসমাজিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত হয়ে এটিকে বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ন্যায় গড়ে তুলেছে। তার অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে এলাকাবসী রীতিমতো অতিষ্ঠের মধ্যে রয়েছে। সে নিজেকে আইন শৃংখলা বাহিনীর মিথ্যা তথ্য দিয়ে নীরিহ মানুষকে ইয়াবার ফাঁদে ফেলে সর্বসান্ত করার চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এ ভয়ে তার অনৈতিক এবং অসমাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কেউ মূখ খোলছেনা। খোজ নিয়ে আরো জানা গেছে, জনশ্রুত অনুযায়ী রশিদা বেগম একজন মককী রানী হিসাবে খ্যাত। এলাকার স্বামী পরিত্যাক্তা এবং প্রবাসীর স্ত্রীদের ম্যানেজ করে যৌন কাজের প্রতি উৎসাহিত করে ওদেরকে দিয়েই দিবানিশি দেহ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। সন্ধায় ঘনিয়ে আসলেই ঘোলার পাড়ায় চলে অসমাজিক কার্যকলাপের মহোৎসব। এলাকার যুব সমাজ এ পথে ধাবিত হয়ে ওদের নৈতিক চরিত্র ম্লান করে দিচ্ছে। এ নিয়ে অভিবাভক মহল গভীর চিন্তার মধ্যে ভোগছে। মাদক ব্যবসার স্বার্থে মাদক কারবারিরা সংশ্লিষ্টদের বশিভূত করার উদ্দেশ্যে ওরা পর্দার অন্তরালে নষ্ঠ নারীদের এ কাজে পৃষ্টপোষকতা করে ওদের হীন স্বার্থ হাসিল করে মাদকের দৃষ্ঠি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্ঠা চলিয়ে যাচ্ছে। এ প্রসংগে শাহপরীরদ্বীপের পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ দিপক বিশ্বাসের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অবগত নন বলে জানান। ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার নুরুল আমিন বলেন, বিষয়টি আমি ও এরকম শুনেছি।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ