হ্নীলা ইউপি দফাদার নুরুল আমিনের ব্যাখ্যা

গত ১৩সেপ্টেম্বর কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক রূপসীগ্রাম পত্রিকায় প্রকাশিত “আওয়ামী লীগ ও কমিউনিটি পুলিশিং নেতা, চৌকিদার-দফাদার” শীর্ষক সংবাদটির একাংশ আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমি পুলিশের সহযোগী হিসেবে চাঁদাবাজি করে কয়েক কোটি টাকা, আলিশান বাড়ি ও জমির মালিক বলে উল্লেখ করেছেন। উপরোক্ত বিষয়ে আমি সকলের সদয় অবগতির জন্য অবহিত করতে চাই যে, ২০০৯ সালে তৈরী টিন শেডের সেমি পাকাঁ ঘর, স্বামী-স্ত্রী এবং ৩ মেয়ে নিয়ে কোনমতে ডাল-ভাত খেয়ে চলা সংসার। যেসব ব্যক্তি শত্রæতামূলকভাবে আমার বিরুদ্ধে সম্মানিত সাংবাদিক ভাইদের নিকট উপরোক্ত অভিযোগ দিয়েছেন ; তাদের নিকট সবিনয় অনুরোধ আমার কোটি কোটি টাকা কোথায় আছে এবং কার নিকট আছে, আমার ভূসম্পত্তি কি আছে তা তদন্ত করে বের করার পর আইনের কাঠগড়ায় দাড় করানোর আহবান জানাচ্ছি। অন্যথায় দেশ ও জাতির শ্ত্রু মুখোশের আড়ালে থাকা মাদক কারবারী এবং সন্ত্রাসীদের অপপ্রচারে আমাকে বলীর পাঠা বানানোর উদ্দেশ্য কি বুঝলাম না?
প্রকৃতপক্ষে গ্রামীণ পর্যায়ে আইন-শৃংখলা বাহিনী ও প্রশাসনিক কাজে সহায়তাকারী সর্বনিম্ম পদের মানুষ আমি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় নিজ এলাকাকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত করতে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছি। এখন সাধুর বেশ ধারণ করা চিহ্নিত মাদক কারবারী ও অবৈধ অস্ত্রধারীরা সামাজিক যোগাযোগ এবং সংবাদ মাধ্যমে আমাকে নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চালিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে তাদের অপকর্ম স্বাভাবিক করার পায়তারা চালাচ্ছে।
তাছাড়া আমাকে চৌকিদার হিসেবে নিয়োগের সময় একটি চক্র চরম বিরোধিতা করেছিল। যখন দফাদার হিসেবে আমার পদোন্নতি হয় তখনই তাদের মাথা ব্যথা আরো বেড়ে যায়। এখন মাদক কারবারীদের পাশাপাশি উক্ত চক্রটি সক্রিয় থেকে বিভিন্ন অপপ্রচার আর অপবাদে লিপ্ত রয়েছে। এসব সম্মিলিত ষড়যন্ত্রের কারণে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার অব্যাহত রয়েছে। এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানিয়ে উক্ত সংবাদাংশের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী :
নুরুল আমিন (দফাদার)
২নং হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ, হ্নীলা, টেকনাফ।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ